শিক্ষাপথ
Advertisement[ বিজ্ঞাপন — ৯৭০×৯০ ]

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ: পাসের হার ৫২.১২%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪০ হাজার ৮৪ জন

ডেস্ক রিপোর্ট
২ ঘণ্টা আগে
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ: পাসের হার ৫২.১২%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪০ হাজার ৮৪ জন
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ: পাসের হার ৫২.১২%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪০ হাজার ৮৪ জন
Advertisement[ বিজ্ঞাপন — ৯৭০×৬০ ]

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ

শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয়েছে। এ বছর মোট ৫২.১২ শতাংশ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। এছাড়া, ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে, যা শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়েছে।

ফল প্রকাশ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে এক অনুষ্ঠানে এই ফলাফল ঘোষণা করা হয়। ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

পরীক্ষার্থী ও বোর্ডের সংখ্যা

এ বছর দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল। এদের মধ্যে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের শিক্ষার্থীরা অন্তর্ভুক্ত।

News details square ads

ফল জানার পদ্ধতি

শিক্ষার্থীরা কয়েকটি উপায়ে তাদের ফলাফল জানতে পারছেন:

  • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান: নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ফলাফল সংগ্রহ করা যাবে।
  • ওয়েবসাইট: অনলাইনে eduboardresults.gov.bd এবং educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।
  • এসএমএস: মোবাইল ফোন থেকে ১৬১৪০ নম্বরে নির্ধারিত নিয়মে এসএমএস পাঠিয়েও ফলাফল পাওয়া যাবে।

পরীক্ষা আয়োজনের প্রেক্ষাপট

গত ২ জুলাই দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে একযোগে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়েছিল। ৮ আগস্ট লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা থাকলেও, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বন্যার কারণে চট্টগ্রামসহ কয়েকটি বোর্ডের কিছু পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। পরবর্তীতে স্থগিত হওয়া পরীক্ষাগুলো পুনরায় গ্রহণ করা হয় এবং ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা সম্পন্ন হয়।

পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন প্রক্রিয়া

ফলাফলে অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীরা ১ নভেম্বর থেকে উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এই আবেদন প্রক্রিয়া ৭ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে। আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী, আবেদন সম্পূর্ণ অনলাইনে করতে হবে এবং ম্যানুয়ালি কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না।

আবেদনের ধাপসমূহ:

  1. শিক্ষার্থীদের Rescrutiny.eduboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে।
  2. রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড নির্বাচন করতে হবে।
  3. 'সাবমিট' বাটনে ক্লিক করে একটি সচল মোবাইল নম্বর দিতে হবে। পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশের পর এই নম্বরে এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হবে।
  4. পরবর্তী ধাপে বিষয়ভিত্তিক ফলাফল দেখা যাবে। যে বিষয় বা বিষয়গুলোর উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণ করতে চান, সেগুলো নির্বাচন করে ফি পরিশোধ করতে হবে।
  5. প্রতিটি পত্রের জন্য ফি ১৫০ টাকা। দ্বিপত্রবিশিষ্ট বিষয়ের ক্ষেত্রে উভয় পত্রের জন্য আবেদন করতে হবে।
  6. বিকাশ, নগদ, ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের রকেট, উপায় ও সোনালী সেবার মাধ্যমে নির্ধারিত ফি পরিশোধ করা যাবে।
  7. ফি পরিশোধের পর আবেদন পোর্টালে ফিরে 'জমা দিন' বাটনে ক্লিক করলেই আবেদন সম্পন্ন হবে।

গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা:

  • একবার আবেদন জমা দেওয়ার পর নতুন কোনো বিষয় যুক্ত করতে চাইলে একই প্রক্রিয়ায় তা করা যাবে।
  • ফি পরিশোধের আগে নির্বাচিত বিষয় পরিবর্তন বা সংশোধনের সুযোগ রয়েছে। এজন্য 'মুছে ফেলুন' অপশন ব্যবহার করে নতুন করে বিষয় নির্বাচন করা যাবে।
  • তবে, ফি পরিশোধের পর আবেদন করা কোনো বিষয় বাতিল করা যাবে না এবং কোনো অবস্থাতেই পরিশোধ করা ফি ফেরত দেওয়া হবে না।
Advertisement[ বিজ্ঞাপন — ৯৭০×৯০ ]