যশোর সরকারি মহিলা কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির (২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষ) যেসব শিক্ষার্থী ক্লাসে নিয়মিত উপস্থিত ছিলেন না, তাদের বাধ্যতামূলক ছাড়পত্র (টিসি) দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। ইতিমধ্যেই এই শিক্ষার্থীদের রোলনম্বর উল্লেখ করে একটি নোটিস কলেজে টানানো হয়েছে, যা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।
নোটিসের মূল বিষয়বস্তু
কলেজ কর্তৃপক্ষের জারি করা নোটিসে জানানো হয়েছে যে, বারবার সতর্ক করার পরও যেসব শিক্ষার্থী ক্লাসে নিয়মিত উপস্থিত হননি, তাদের আগামী ২৯ অক্টোবর ২০২৬ তারিখের মধ্যে কলেজ থেকে ছাড়পত্র (টিসি) গ্রহণ করতে হবে। এই নির্দেশনার ফলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষাজীবন নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন।
শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উদ্বেগ
কলেজ কর্তৃপক্ষের এমন কঠোর সিদ্ধান্তে ভুক্তভোগী ছাত্রী ও তাদের অভিভাবকরা চরম বিপাকে পড়েছেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ছাড়পত্র না নিলে শিক্ষাজীবনে কী ধরনের জটিলতা তৈরি হতে পারে, তা নিয়ে তারা গভীরভাবে শঙ্কিত। অনেক অভিভাবক মানবিক দিক বিবেচনা করে শিক্ষার্থীদের আরও একটি সুযোগ দেওয়ার জন্য কলেজ প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।

অধ্যক্ষের বক্তব্য
এ বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর সেলিনা খাতুন বলেন, ‘শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের ক্লাসমুখী করার লক্ষ্যেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’
তার এই বক্তব্য থেকে স্পষ্ট যে, কলেজ কর্তৃপক্ষ শিক্ষার পরিবেশ উন্নত করতে এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি দায়বদ্ধতা বাড়াতে বদ্ধপরিকর। তবে, এই সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন এবং এর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।


