শিক্ষাপথ
Advertisement[ বিজ্ঞাপন — ৯৭০×৯০ ]

মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব: সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান ঢাবি প্রো-ভিসির

ডেস্ক রিপোর্ট
৪ ঘণ্টা আগে
মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব: সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান ঢাবি প্রো-ভিসির
মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব: সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান ঢাবি প্রো-ভিসির
Advertisement[ বিজ্ঞাপন — ৯৭০×৬০ ]

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেন, বর্তমান সমাজে মানুষের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, দায়বদ্ধতা এবং দায়িত্ববোধ ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে।

সামাজিক বিচ্ছিন্নতা ও মানসিক স্বাস্থ্য

অধ্যাপক আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী তাঁর বক্তব্যে আধুনিক জীবনযাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, মানুষ যেখানে মহাকাশে যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে, সেখানে তারা নিজেদের প্রতিবেশীর খোঁজখবর রাখতেও ব্যর্থ হচ্ছে। এই ধরনের সামাজিক বিচ্ছিন্নতা মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী বলেন, "মানুষ এখন মহাকাশে যাওয়ার স্বপ্ন দেখলেও প্রতিবেশীর খবর রাখে না। এ ধরনের সামাজিক বিচ্ছিন্নতা দূর করতে পারস্পরিক সহযোগিতা, সহমর্মিতা ও সামাজিক সম্প্রীতি বাড়াতে হবে।"

News details square ads

তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন যে, এই সামাজিক বিচ্ছিন্নতা দূর করতে হলে পারস্পরিক সহযোগিতা, সহমর্মিতা এবং সামাজিক সম্প্রীতি বৃদ্ধি করা অপরিহার্য। একটি সুস্থ ও স্থিতিশীল সমাজের জন্য মানসিক সুস্থতা অত্যন্ত জরুরি, যা সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই অর্জন করা সম্ভব।

সচেতনতা বৃদ্ধির গুরুত্ব

মানসিক স্বাস্থ্যকে কেবল ব্যক্তিগত সমস্যা হিসেবে না দেখে এটিকে একটি সামাজিক সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে সম্মিলিতভাবে সমাধানের দিকে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান ঢাবি প্রো-ভিসি। তিনি মনে করেন, মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে সমাজের সকল স্তরে সচেতনতা বাড়াতে পারলে এর সঙ্গে জড়িত কুসংস্কার ও ভুল ধারণা দূর হবে এবং আক্রান্ত ব্যক্তিরা সঠিক সময়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা পাবে।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে একটি সহানুভূতিশীল সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব, যেখানে প্রতিটি মানুষ মানসিক সুস্থতার গুরুত্ব উপলব্ধি করবে এবং একে অপরের পাশে দাঁড়াবে।

Advertisement[ বিজ্ঞাপন — ৯৭০×৯০ ]