পটভূমি
সম্প্রতি বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সাবেক উপাচার্য, প্রয়াত অধ্যাপক ডা. এম এ হাদী-এর বর্ণাঢ্য জীবন ও কর্ম নিয়ে একটি স্মরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই আয়োজনে বক্তারা তার অসামান্য অবদানকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন, বিশেষ করে বাংলাদেশে পোস্টগ্রাজুয়েট মেডিকেল শিক্ষার প্রসারে তার ভূমিকা ছিল চিরস্মরণীয়।
স্মরণসভার আয়োজন
গত সোমবার (২ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ডা. মিলন হলে 'অধ্যাপক ডা. এম এ হাদী ফাউন্ডেশন'-এর উদ্যোগে এই সভাটি আয়োজিত হয়। অনুষ্ঠানে দেশের চিকিৎসা ও শিক্ষা খাতের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন এবং অধ্যাপক হাদীর বহুমুখী প্রতিভার ওপর আলোকপাত করেন।
অধ্যাপক হাদীর অবদান
সভায় বক্তারা অধ্যাপক ডা. এম এ হাদীর অবদানকে কয়েকটি মূল দিক থেকে তুলে ধরেন:

- গুণী শিক্ষক: তিনি ছিলেন একজন অসাধারণ শিক্ষক, যিনি শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করতেন এবং তাদের মধ্যে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিতেন।
- স্বনামধন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক: চিকিৎসা ক্ষেত্রে তার দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা ছিল প্রশ্নাতীত। অসংখ্য রোগীর জীবন বাঁচাতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
- দক্ষ প্রশাসক: বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে তিনি প্রতিষ্ঠানটির উন্নয়নে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং প্রশাসনিক ক্ষেত্রে তার দক্ষতা ছিল অনুকরণীয়।
- পোস্টগ্রাজুয়েট মেডিকেল শিক্ষার প্রসার: বাংলাদেশে স্নাতকোত্তর মেডিকেল শিক্ষার মানোন্নয়ন ও প্রসারে তার প্রচেষ্টা ছিল অগ্রগণ্য। এই ক্ষেত্রে তার অবদান দেশের চিকিৎসা শিক্ষাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
- জাতীয়তাবাদী চেতনা: বক্তারা আরও উল্লেখ করেন যে, তিনি বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী চেতনাকে ধারণ ও ছড়িয়ে দিতে অসামান্য অবদান রেখেছেন, যা তার ব্যক্তিত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল।
উপসংহার
স্মরণসভায় উপস্থিত সকলে অধ্যাপক ডা. এম এ হাদীর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং তার কর্মময় জীবনকে দেশের চিকিৎসা ও শিক্ষা খাতের জন্য এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করেন। তার দেখানো পথ অনুসরণ করে দেশের পোস্টগ্রাজুয়েট মেডিকেল শিক্ষা আরও সমৃদ্ধ হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।


