ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের শিশু সন্তানদের দেখভালের জন্য একটি ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এ লক্ষ্যে দুই বছর আগে ১০ লাখ টাকা বরাদ্দও দেওয়া হয় এবং একটি কমিটিও গঠন করা হয়। তবে দুঃখজনকভাবে, এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পটি এখনো ফাইলবন্দি অবস্থায় পড়ে আছে, যার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা এর প্রকৃত সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
প্রকল্পের বর্তমান অবস্থা
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপনের জন্য বরাদ্দকৃত ১০ লাখ টাকা এখনো বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংক হিসাবে অলস পড়ে আছে। দুই বছর পেরিয়ে গেলেও এই অর্থ ব্যবহার করে প্রকল্পের ন্যূনতম কাজও শুরু হয়নি। এর ফলে কর্মজীবী মায়েরা তাদের সন্তানদের নিরাপদ পরিবেশে রেখে নিশ্চিন্তে কাজ করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
সংশ্লিষ্টদের প্রতিক্রিয়া
বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও ডে-কেয়ার সেন্টার চালু না হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে। বিশেষ করে নারী কর্মীরা যারা ছোট সন্তান নিয়ে কর্মস্থলে আসেন, তাদের জন্য এটি একটি বড় সমস্যা। তারা দ্রুত এই প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন নারী শিক্ষক বলেন, "ডে-কেয়ার সেন্টার আমাদের জন্য অত্যন্ত জরুরি একটি সুবিধা। বরাদ্দ থাকার পরেও কেন এটি বাস্তবায়ন হচ্ছে না, তা আমাদের বোধগম্য নয়। কর্তৃপক্ষের দ্রুত এই বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।"
পরবর্তী করণীয়
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উচিত দ্রুত ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপন কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে প্রকল্পের বাস্তবায়নে বিদ্যমান বাধাগুলো চিহ্নিত করা এবং সেগুলোর সমাধান করা। বরাদ্দকৃত অর্থ যেন দ্রুত সঠিক কাজে লাগানো হয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মজীবী মায়েদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হয়, সেদিকে নজর দেওয়া অপরিহার্য।


