শিক্ষাপথ
Advertisement[ বিজ্ঞাপন — ৯৭০×৯০ ]

পাঁচ বছর চাকরিতেই পেনশন সুবিধা, বাড়ছে আর্থিক সুরক্ষা

শিক্ষাপথ ডেস্ক
৪ ঘণ্টা আগে
পাঁচ বছর চাকরিতেই পেনশন সুবিধা, বাড়ছে আর্থিক সুরক্ষা
পাঁচ বছর চাকরিতেই পেনশন সুবিধা, বাড়ছে আর্থিক সুরক্ষা
Advertisement[ বিজ্ঞাপন — ৯৭০×৬০ ]

সরকারি চাকরিজীবীদের অবসরকালীন আর্থিক নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করতে পেনশন ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কার আনা হয়েছে। নতুন বিধান অনুযায়ী, পেনশন পাওয়ার জন্য ন্যূনতম চাকরির মেয়াদ ১০ বছর থেকে কমিয়ে পাঁচ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সর্বোচ্চ পেনশনের হার শেষ প্রাপ্ত মূল বেতনের ৮০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৯০ শতাংশ করা হয়েছে।

২০১৫ সালে জারি হওয়া সংশোধিত প্রজ্ঞাপনের আওতায় দীর্ঘদিন চাকরি করা কর্মচারীরা অবসরের পর আগের তুলনায় বেশি আর্থিক সুবিধা পাবেন। চাকরির মেয়াদ পাঁচ বছর পূর্ণ হলেই নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে পেনশন পাওয়ার সুযোগ থাকবে এবং ২৫ বছর বা তার বেশি চাকরির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৯০ শতাংশ হারে পেনশন প্রযোজ্য হবে। পাঁচ থেকে ২৪ বছর চাকরির ক্ষেত্রে এই সুবিধা মূলত চাকরিরত অবস্থায় মৃত্যু, চিকিৎসা বোর্ডের মাধ্যমে স্থায়ী অক্ষমতা কিংবা পদ বিলুপ্তির কারণে চাকরি হারানোর মতো পরিস্থিতিতে কার্যকর হবে।

প্রজ্ঞাপনে অবসরপ্রাপ্তদের মাসিক পেনশন বৃদ্ধির ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। ৬৫ বছরের কম বয়সী পেনশনভোগীদের জন্য ৪০ শতাংশ এবং ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সীদের জন্য ৫০ শতাংশ পর্যন্ত পেনশন বাড়ানো হয়। একই সঙ্গে মাসিক ন্যূনতম পেনশন তিন হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

News details square ads

গ্র্যাচুইটির ক্ষেত্রেও নতুন কাঠামো চালু করা হয়েছে। পাঁচ থেকে নয় বছর চাকরির ক্ষেত্রে প্রতি এক টাকা পেনশনের বিপরীতে ২৬৫ টাকা আনুতোষিক নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া চাকরির পাঁচ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই কোনো কর্মচারী মারা গেলে বা স্থায়ীভাবে অক্ষম হয়ে পড়লে তার পরিবারের জন্য বিশেষ এককালীন আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে চাকরির প্রতিটি পূর্ণ বছরের জন্য শেষ তিন মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ সহায়তা হিসেবে দেওয়া হবে।

পারিবারিক পেনশন ব্যবস্থাতেও গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। বিধবা স্ত্রীদের পুনর্বিবাহ না করার অঙ্গীকারনামার শর্ত শিথিল করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে মৃত নারী কর্মচারীর স্বামীও পারিবারিক পেনশনের সুবিধা পাওয়ার যোগ্য হবেন।

অবসর সুবিধার আরেকটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হলো ছুটি নগদায়নের সুযোগ বৃদ্ধি। আগে সর্বোচ্চ ১২ মাসের ছুটি নগদায়ন করা গেলেও নতুন বিধানে তা বাড়িয়ে ১৮ মাস করা হয়েছে। ফলে অবসরের সময় কর্মচারীরা অতিরিক্ত আর্থিক সুবিধা পাওয়ার সুযোগ পাবেন।

প্রজ্ঞাপনটি ২০১৫ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর ধরা হয়েছে এবং ওই সময়ে অবসর-পূর্ব ছুটিতে থাকা কর্মচারীরাও নতুন সুবিধার আওতায় এসেছেন। সম্প্রতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনের সময় নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষণার মধ্য দিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের আর্থিক সুরক্ষা জোরদারের বিষয়টি আবারও আলোচনায় আসে।

Advertisement[ বিজ্ঞাপন — ৯৭০×৯০ ]