শিক্ষাপথ
Advertisement[ বিজ্ঞাপন — ৯৭০×৯০ ]

৩৩ কোটি টাকার অচল ম্যাটস ভবনে মেডিকেল কলেজের ক্লাস চালুর উদ্যোগ

শিক্ষাপথ ডেস্ক
৪ ঘণ্টা আগে
৩৩ কোটি টাকার অচল ম্যাটস ভবনে মেডিকেল কলেজের ক্লাস চালুর উদ্যোগ
৩৩ কোটি টাকার অচল ম্যাটস ভবনে মেডিকেল কলেজের ক্লাস চালুর উদ্যোগ
Advertisement[ বিজ্ঞাপন — ৯৭০×৬০ ]

দীর্ঘদিন ধরে অচল অবস্থায় পড়ে থাকা ঝালকাঠির প্রায় ৩৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল (ম্যাটস) ভবনকে কাজে লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ম্যাটসে শিক্ষা কার্যক্রম চালু না হওয়া পর্যন্ত ভবনটিতে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ক্লাস পরিচালনার পরিকল্পনা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে ভবনটি শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের ঝালকাঠি ক্যাম্পাস হিসেবে ব্যবহৃত হবে।

এ লক্ষ্যে শুক্রবার দুপুরে ভবনটি পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা) ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার। এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ঝালকাঠির সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির।

পরিদর্শন শেষে ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার জানান, প্রায় ৩৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি আধুনিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবন বছরের পর বছর অব্যবহৃত পড়ে থাকা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। যেহেতু বর্তমানে ম্যাটস চালুর বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি, তাই জনস্বার্থে অবকাঠামোটিকে ব্যবহার করে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীদের ক্লাস পরিচালনার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলেও তিনি জানান।

News details square ads

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালে ঝালকাঠি ম্যাটস প্রকল্পের নির্মাণকাজ শুরু হয়ে ২০২১ সালে শেষ হয়। ২০২২ সালে ভবনটি স্বাস্থ্য বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হলেও সেখানে এখন পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়নি। ফলে আধুনিক একাডেমিক ভবন, ছাত্র-ছাত্রী হোস্টেল, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসনসহ প্রায় ৩৩ কোটি টাকার অবকাঠামো ও বিভিন্ন মূল্যবান সরঞ্জাম দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় রয়েছে। এতে একদিকে সরকারি সম্পদের অপচয় হচ্ছে, অন্যদিকে অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কাও বাড়ছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রস্তাবিত পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দীর্ঘদিনের অচল অবকাঠামোর কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত হবে। একই সঙ্গে ঝালকাঠিতে উচ্চতর চিকিৎসা শিক্ষার নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে এবং বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরাও অতিরিক্ত একাডেমিক সুবিধা পাবেন।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদনের প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করে ভবনটির ব্যবহার নিশ্চিত করা হলে দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত এ প্রকল্পটি জনস্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

Advertisement[ বিজ্ঞাপন — ৯৭০×৯০ ]