শিক্ষাপথ
Advertisement[ বিজ্ঞাপন — ৯৭০×৯০ ]

ইসরায়েলে শক্তিশালী জাতীয় সরকার গঠনের ঘোষণা নেতানিয়াহুর

ডেস্ক রিপোর্ট
২ ঘণ্টা আগে
ইসরায়েলে শক্তিশালী জাতীয় সরকার গঠনের ঘোষণা নেতানিয়াহুর
ইসরায়েলে শক্তিশালী জাতীয় সরকার গঠনের ঘোষণা নেতানিয়াহুর
Advertisement[ বিজ্ঞাপন — ৯৭০×৬০ ]

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সম্প্রতি ঘোষণা দিয়েছেন যে, নির্বাচনে ডানপন্থি দলগুলো ‘নির্ণায়ক সংখ্যাগরিষ্ঠতা’ অর্জন করেছে। এর ভিত্তিতে তিনি একটি ‘জাতীয়তাবাদী ডানপন্থি সরকার’ গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন। তার এই ঘোষণা এমন এক সময়ে এলো যখন বুথফেরত জরিপগুলো কোনো পক্ষেরই সুস্পষ্ট একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার আভাস দিতে পারেনি।

নির্বাচনের ফলাফল ও নেতানিয়াহুর দাবি

বুথফেরত জরিপের পূর্বাভাস অনুযায়ী, নেতানিয়াহুর জোট সামান্য এগিয়ে থাকলেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি। এই পরিস্থিতিতে, কোনো পক্ষই এককভাবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আসন পাবে কিনা, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। তবে নেতানিয়াহু তার বক্তব্যে দৃঢ়ভাবে বলেছেন, ‘আমরা এখনো প্রকৃত ফলাফলের অপেক্ষায় রয়েছি। আগামী এক-দুই দিনের মধ্যে প্রকৃত ফলাফল পাওয়া যাবে।’

নেতানিয়াহু বলেন, ‘লিকুদ পার্টির ক্ষেত্রে দুটি বিষয় স্পষ্ট হয়ে গেছে। প্রথমত, এ বিষয়ে কোনো দ্বিধা নেই যে ইসরায়েলে লিকুদই বৃহত্তম দল। দ্বিতীয় যে বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে, তা হলো—ইহুদিবাদী জনগোষ্ঠীর মধ্যে ডানপন্থি শিবিরের সুস্পষ্ট ও নির্ণায়ক সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে।’

News details square ads

জাতীয়তাবাদী ডানপন্থি সরকার গঠনের প্রয়োজনীয়তা

নেতানিয়াহু তার বক্তব্যে একটি ডানপন্থি, জাতীয়তাবাদী ও শক্তিশালী সরকার গঠনের ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের অবশ্যই একটি ডানপন্থি, জাতীয়তাবাদী ও শক্তিশালী সরকার গঠন করতে হবে। এটাই করণীয়। ইসরায়েলের অস্তিত্বের মূল ভিত্তির বিরোধী ইহুদিবাদবিরোধী আরব দলগুলোর ওপর নির্ভরশীল কোনো সরকার গঠন করে দেশকে ঝুঁকির মুখে ফেলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’ এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি আরব দলগুলোর সঙ্গে জোট গঠনের সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন।

সামরিক সাফল্যের দাবি

নিজের সরকারের সামরিক সাফল্যের দাবি তুলে ধরে নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমরা এমন সব বিস্ময়কর সাফল্য অর্জন করেছি, যা মধ্যপ্রাচ্যের চেহারা বদলে দিয়েছে। আমরা দেইফ, হানিয়া, সিনওয়ার, নাসরাল্লাহ ও খামেনিকে নির্মূল করেছি। গাজা, লেবানন ও সিরিয়ার গভীরে আমরা নিরাপত্তা অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করেছি।’ তিনি আরও দাবি করেন যে, ইসরায়েলের ওপর ঝুলে থাকা তাৎক্ষণিক অস্তিত্বগত হুমকি দূর করা হয়েছে এবং ইরানি শাসনব্যবস্থাকে পতনের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা

ইসরায়েলের সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম ও চ্যানেল ১৩-এর হালনাগাদ বুথফেরত জরিপ অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জোট এবং সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট সমান ৫১টি করে আসন পেতে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে, কোনো জোটই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় নতুন সরকার গঠন নিয়ে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে আরব-ইসরায়েলি ভোটারদের ব্যাপক অংশগ্রহণ নির্বাচনের হিসাব বদলে দিতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

Advertisement[ বিজ্ঞাপন — ৯৭০×৯০ ]