শিক্ষাপথ
Advertisement[ বিজ্ঞাপন — ৯৭০×৯০ ]

মানবাধিকারকে অর্থনৈতিক নীতির কেন্দ্রে রাখার আহ্বান বাংলাদেশের: আইরিন খান

ডেস্ক রিপোর্ট
৫৩ মিনিট আগে
মানবাধিকারকে অর্থনৈতিক নীতির কেন্দ্রে রাখার আহ্বান বাংলাদেশের: আইরিন খান
মানবাধিকারকে অর্থনৈতিক নীতির কেন্দ্রে রাখার আহ্বান বাংলাদেশের: আইরিন খান
Advertisement[ বিজ্ঞাপন — ৯৭০×৬০ ]

অর্থনৈতিক কাঠামোর সংস্কারে মানবাধিকারের গুরুত্ব

অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণ এবং শাসনব্যবস্থার মূল কেন্দ্রে মানবাধিকারকে স্থান দেওয়ার জন্য জাতিসংঘে জোরালো আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। দেশটি বলেছে যে, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি সমতা, মানবিক মর্যাদা এবং মৌলিক অধিকার নিশ্চিতকরণে কতটা অবদান রাখা যাচ্ছে, তার ভিত্তিতেই উন্নয়ন অগ্রগতির মূল্যায়ন করা উচিত।

মঙ্গলবার, নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে আয়োজিত ‘দ্য পলিটিক্যাল ইকোনমি অব হিউম্যান রাইটস’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের সংলাপে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আইরিন খান এই আহ্বান জানান। ঢাকায় প্রাপ্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

ন্যায়সংগত অর্থায়ন ও ঋণ স্থায়িত্বের প্রয়োজনীয়তা

রাষ্ট্রদূত আইরিন খান তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, অর্থনৈতিক অগ্রগতি যাতে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হয়, তা নিশ্চিত করতে বেশ কিছু সংস্কার জরুরি। এর মধ্যে রয়েছে:

News details square ads
  • ন্যায়সংগত করব্যবস্থা
  • সাশ্রয়ী উন্নয়ন অর্থায়ন
  • ঋণের স্থায়িত্ব
  • আন্তর্জাতিক আর্থিক কাঠামোর সংস্কার

মানবাধিকারের ওপর অর্থনৈতিক সংকটের প্রভাব

জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার তুর্ক তার বক্তব্যে বলেন, “অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতার ক্রমবর্ধমান কেন্দ্রীভবন, সামরিক ব্যয় বৃদ্ধি, ঋণের বোঝা বেড়ে যাওয়া এবং বৈষম্য বিস্তারের মতো বিষয়গুলো মানবাধিকারকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।”

সংলাপে অংশগ্রহণকারীরা কাঠামোগত বৈষম্য মোকাবিলা এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আরও ন্যায়সংগত আন্তর্জাতিক করব্যবস্থা, ঋণ পুনর্গঠনে সমতা, জবাবদিহিমূলক অর্থনৈতিক শাসনব্যবস্থা এবং নাগরিক সমাজের অর্থবহ অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। আলোচনায় উঠে আসে যে, সংঘাত, ঋণের অতিরিক্ত পরিশোধ ব্যয় এবং উন্নয়ন সহায়তা কমে যাওয়ার কারণে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক সুরক্ষা ও টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

সংলাপের আয়োজক ও অংশগ্রহণকারীগণ

বাংলাদেশ, মরক্কো, দক্ষিণ আফ্রিকা ও উরুগুয়ের স্থায়ী মিশনের যৌথ আয়োজনে এই সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন:

  • মরক্কোর রাষ্ট্রদূত ওমর হিলালে
  • উরুগুয়ের রাষ্ট্রদূত লরা দুপুই লাসের
  • দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রদূত এমক্সোলিসি এনকোসি
  • ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত স্তাভরোস লামব্রিনিদিস
  • মানবাধিকার বিশেষজ্ঞ ইগনাসিও সাইস
  • অধ্যাপক সাকিকো ফুকুদা-পার
  • জাতিসংঘের স্বাধীন বিশেষজ্ঞ আতিয়া ওয়ারিস

ভবিষ্যৎ উন্নয়ন কাঠামোতে মানবাধিকারের অন্তর্ভুক্তি

সংলাপে ২০৩০ সালের পরবর্তী সময়ের বৈশ্বিক উন্নয়ন কাঠামো এবং আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক শাসনব্যবস্থায় মানবাধিকারের নীতিগুলো অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর বিশেষভাবে জোর দেওয়া হয়। এটি মানবাধিকারকে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক আলোচনার অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার গুরুত্ব তুলে ধরে।

Advertisement[ বিজ্ঞাপন — ৯৭০×৯০ ]