শিক্ষাপথ
Advertisement[ বিজ্ঞাপন — ৯৭০×৯০ ]

৩ মাসের মধ্যে সবচেয়ে বড় স্বস্তি: ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক ধাক্কায় ৩৫৭ টাকা কমল

শিক্ষাপথ ডেস্ক
৪ ঘণ্টা আগে
৩ মাসের মধ্যে সবচেয়ে বড় স্বস্তি: ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক ধাক্কায় ৩৫৭ টাকা কমল
৩ মাসের মধ্যে সবচেয়ে বড় স্বস্তি: ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক ধাক্কায় ৩৫৭ টাকা কমল
Advertisement[ বিজ্ঞাপন — ৯৭০×৬০ ]

গৃহস্থালি পর্যায়ে ব্যবহৃত ১২ কেজি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডারের দাম এক ধাক্কায় ৩৫৭ টাকা কমিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। নতুন মূল্য অনুযায়ী, ১২ কেজির একটি এলপিজি সিলিন্ডার কিনতে ভোক্তাদের খরচ হবে ১ হাজার ৫২৮ টাকা। একই সঙ্গে যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দামও প্রতি লিটারে ৮৬ টাকা ৯৩ পয়সা থেকে কমিয়ে ৭৪ টাকা ৪০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নতুন মূল্যহার ঘোষণা করেন বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান। কমিশন জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির দাম এবং জাহাজভাড়া (ফ্রেইট চার্জ) কমে আসায় দেশীয় বাজারেও এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। ঘোষিত নতুন দর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হয়েছে।

এর আগে চলতি বছরের ১৯ এপ্রিল ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২১২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৯৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তারও আগে ২ এপ্রিল আরেক দফায় ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে মূল্য নির্ধারণ করা হয় ১ হাজার ৭২৭ টাকা। ফলে অল্প সময়ের ব্যবধানে দুই দফায় মোট ৫৯৯ টাকা দাম বৃদ্ধি পেয়েছিল। পরে জুন মাসে মূল্য সামান্য কমিয়ে ১ হাজার ৮৮৫ টাকা করা হলেও এবারই সবচেয়ে বড় পরিমাণে দাম কমানোর সিদ্ধান্ত এলো।

News details square ads

এদিকে দীর্ঘদিন ধরেই এলপিজি বাজারে নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সিলিন্ডার বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে বাজারে মূল্য নিয়ন্ত্রণে অস্থিরতা তৈরি হয়। মার্চ মাসে নির্ধারিত মূল্য ছিল ১ হাজার ৩৪১ টাকা, কিন্তু দেশের বিভিন্ন এলাকায় ১২ কেজির সিলিন্ডার ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রির ঘটনাও সামনে আসে।

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন জানায়, ২০২১ সালের ১২ এপ্রিল প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক সৌদি কন্ট্রাক্ট প্রাইসকে ভিত্তি ধরে এলপিজির মাসভিত্তিক মূল্য নির্ধারণের ব্যবস্থা চালু করা হয়। এরপর থেকে প্রতি মাসেই আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন দর ঘোষণা করা হচ্ছে। তবে আমদানিকারক, পরিবেশক, ডিলার কমিশন বা জাহাজভাড়াসহ অন্যান্য কাঠামোগত পরিবর্তনের প্রয়োজন হলে তা গণশুনানির মাধ্যমে নির্ধারণ করা হয়।

Advertisement[ বিজ্ঞাপন — ৯৭০×৯০ ]