ঢাকা টেস্টের দ্বিতীয় দিনের শুরুটা বাংলাদেশের জন্য ছিল হতাশাজনক। আগের দিনের ৩ উইকেটে ২১৩ রান নিয়ে খেলা শুরু করার পর মাত্র ৫৯ রান যোগ করতেই শেষ ৭ উইকেট হারিয়েছে টাইগাররা। ফলে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৭২ রান।
সাদমানের সেঞ্চুরি ও দ্রুত পতন
প্রথম দিন ৯৯ রানে অপরাজিত থাকা ওপেনার সাদমান ইসলাম বৃহস্পতিবার দিনের দ্বিতীয় বলে ২ রান নিয়ে তাঁর সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। এটি তাঁর ৩১ ম্যাচের টেস্ট ক্যারিয়ারে তৃতীয় সেঞ্চুরি। এর আগে তিনি ২০২৫ সালের এপ্রিলে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তাঁর শেষ সেঞ্চুরিটি করেছিলেন।
২২০ বলে ১১ চারের সাহায্যে ১০৫ রান করে অভিষিক্ত বিশপের বলে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়েন সাদমান, যা বাংলাদেশের ব্যাটিং ধসের সূচনা করে।

পরপর উইকেট পতন
সাদমানের বিদায়ের পর গতকাল রিটায়ার্ড হার্ট হওয়া তাওহীদ হৃদয় ব্যাটিংয়ে নামেন। কিন্তু তিনি তাঁর আগের ৪২ রানের সঙ্গে আর কোনো রান যোগ করতে পারেননি এবং অভিষিক্ত বিশপের বলে বোল্ড হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন।
ষষ্ঠ উইকেটে মেহেদী হাসান মিরাজ এবং লিটন দাস মিলে ৩২ রানের একটি জুটি গড়েন, যা কিছুটা প্রতিরোধের ইঙ্গিত দিচ্ছিল। তবে জোমেল ওয়ারিক্যান মিরাজকে বোল্ড করে এই জুটি ভাঙেন। মিরাজ আউট হওয়ার পর মাত্র ১৯ রানের ব্যবধানে বাংলাদেশের শেষ ৪ উইকেট পড়ে যায়। তাইজুল ইসলাম, নাঈম হাসান এবং হাসান মাহমুদ কেউই ক্রিজে স্থায়ী হতে পারেননি। এক প্রান্তে অপরাজিত থেকে যান লিটন দাস, ৩৪ রান করে।
ওয়ারিক্যানের দুর্দান্ত বোলিং
ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্পিনার জোমেল ওয়ারিক্যান বাংলাদেশের ব্যাটিং ধসে মূল ভূমিকা পালন করেন। প্রথম দিন ২ উইকেট নেওয়ার পর দ্বিতীয় দিনে তিনি আরও ৩ উইকেট শিকার করেন, যা তাঁর ২৫ ম্যাচের ক্যারিয়ারে তৃতীয়বারের মতো ৫ উইকেট প্রাপ্তি। তাঁর ঘূর্ণি জাদুতে বাংলাদেশের লোয়ার অর্ডার দাঁড়াতেই পারেনি।


