ম্যাচের সারসংক্ষেপ
মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) এফসি সিনসিনাতির সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করেছে লিওনেল মেসির ইন্টার মায়ামি। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে একসময় হারের দ্বারপ্রান্তে চলে গিয়েছিল মায়ামি, কিন্তু শেষ মুহূর্তের গোলে তারা স্বস্তির এক পয়েন্ট অর্জন করে। ম্যাচের প্রথম ৬০ মিনিট গোলশূন্য থাকলেও শেষ ১০ মিনিটে তিনটি গোল হয়, যা ম্যাচের উত্তেজনা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
মেসির প্রত্যাবর্তন ও দলের পারফরম্যান্স
স্পেনের রাজপরিবারের কাছ থেকে ক্রীড়াক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি ‘প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস অ্যাওয়ার্ড’ নিয়ে ফেরার পর এটি ছিল লিওনেল মেসির দ্বিতীয় ম্যাচ। এর আগের ম্যাচে নিউইয়র্ক রেড বুলসের কাছে ২-০ গোলে হেরেছিল মায়ামি। সেই ম্যাচে ভ্রমণক্লান্তির কারণে মেসি দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে মাঠে নামলেও কোনো গোল বা অ্যাসিস্ট করতে পারেননি। সিনসিনাতির বিপক্ষে পুরো ম্যাচেও তিনি গোল বা অ্যাসিস্টের দেখা পাননি, যদিও তার উপস্থিতি দলের মনোবল চাঙ্গা রেখেছিল।
ম্যাচের গতিপথ
ম্যাচের প্রথম এক ঘণ্টা কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি। অবশেষে ৬১ মিনিটে লুইস সুয়ারেজের গোলে এগিয়ে যায় ইন্টার মায়ামি। তবে এই লিড বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি তারা। ৮০ মিনিটে কেনজি এমবোমা ডেমের গোলে সমতায় ফেরে সিনসিনাতি। এর মাত্র ছয় মিনিট পর স্যামুয়েল গিডির গোলে এগিয়ে যায় সিনসিনাতি, যা মায়ামির পরাজয় প্রায় নিশ্চিত করে ফেলেছিল।

শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তা
যখন মনে হচ্ছিল ইন্টার মায়ামি পরাজয়ের দ্বারপ্রান্তে, তখনই নাটকীয়ভাবে ম্যাচে ফেরে মেসির দল। নির্ধারিত সময়ের ৯০ মিনিটে বক্সের বাঁ দিক থেকে দূরের পোস্টে বাঁকানো শটে গোল করেন রিকুয়েলমে ফিলিপ্পি। এমএলএসে এটি ছিল তার প্রথম গোল, যা দলকে নিশ্চিত হার থেকে বাঁচিয়ে এক মূল্যবান পয়েন্ট এনে দেয়। এর আগে সুয়ারেজও প্রায় একই জায়গা থেকে গোল করেছিলেন।
পয়েন্ট টেবিলের অবস্থান ও পরবর্তী চ্যালেঞ্জ
এই ড্রয়ের পর ইস্টার্ন কনফারেন্সে তিন নম্বরে থাকা ইন্টার মায়ামির চেয়ে দুই পয়েন্ট এগিয়ে আছে দুইয়ে থাকা নিউ ইংল্যান্ড রেভোলিউশন, যাদের পয়েন্ট ৫৮। দুই দলেরই হাতে আরও দুটি করে ম্যাচ রয়েছে। পরের ম্যাচে মেসিরা নিউ ইংল্যান্ডের মাঠে খেলবে। এই ম্যাচটি কেবল ইস্টার্ন কনফারেন্সে দ্বিতীয় স্থান নির্ধারণেই নয়, এমএলএস কাপের প্লে-অফে দ্বিতীয় সিড পাওয়ার লড়াইয়েও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।


