শিক্ষামন্ত্রী এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন সম্প্রতি ঘোষণা করেছেন যে, দেশের ৫৭টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পর্যায়ক্রমে তৃতীয় ভাষা ইনস্টিটিউট চালু করা হবে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের ভাষাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং তাদের আন্তর্জাতিক কর্মক্ষেত্রের জন্য প্রস্তুত করা।
মাভাবিপ্রবি দিবসে শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য
গত মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) ‘মাভাবিপ্রবি দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত ‘রিসার্চ অ্যাক্সিলেন্স অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপস’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেন। তিনি দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, “বাংলাদেশ একটি জনবহুল দেশ। দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি গবেষণার ফলাফল উৎপাদন ও শিল্প খাতে কাজে লাগানোর কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।”

গবেষণা ও শিল্প খাতের সমন্বয়
শিক্ষামন্ত্রী তার বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা দেশের স্বার্থে ব্যবহারের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বিশেষভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাকে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এই সমন্বয়ের মাধ্যমে উদ্ভাবনী ধারণাগুলো বাস্তব প্রয়োগের সুযোগ পাবে এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তৃতীয় ভাষা ইনস্টিটিউটের লক্ষ্য
এই তৃতীয় ভাষা ইনস্টিটিউটগুলো চালু হওয়ার ফলে শিক্ষার্থীরা বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি আরও একটি আন্তর্জাতিক ভাষা শেখার সুযোগ পাবে। এর মাধ্যমে তারা বিশ্বব্যাপী কর্মসংস্থানের বাজারে নিজেদের আরও বেশি যোগ্য করে তুলতে পারবে। এটি দেশের উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।


