শিক্ষাপথ
Advertisement[ বিজ্ঞাপন — ৯৭০×৯০ ]

ষষ্ঠ শ্রেণির আইসিটি বইয়ে দাঁড়িপাল্লার প্রতীক বাদ, এনসিটিবির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত

ডেস্ক রিপোর্ট
২ ঘণ্টা আগে
ষষ্ঠ শ্রেণির আইসিটি বইয়ে দাঁড়িপাল্লার প্রতীক বাদ, এনসিটিবির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
ষষ্ঠ শ্রেণির আইসিটি বইয়ে দাঁড়িপাল্লার প্রতীক বাদ, এনসিটিবির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
Advertisement[ বিজ্ঞাপন — ৯৭০×৬০ ]

আইসিটি বইয়ে প্রতীক বিতর্ক ও সংশোধনের সিদ্ধান্ত

২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রণীত ষষ্ঠ শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) পাঠ্যপুস্তকে প্রজ্ঞার প্রতীক হিসেবে দাঁড়িপাল্লার ছবি ব্যবহার করা নিয়ে সম্প্রতি যে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল, তার প্রেক্ষিতে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) বইটি সংশোধনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) এনসিটিবি এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে, যা শিক্ষামহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

মুদ্রণ ত্রুটি ও বই প্রত্যাহারের নির্দেশনা

এনসিটিবির বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের মাধ্যমিক, দাখিল এবং কারিগরি স্তরের ষষ্ঠ শ্রেণির ‘তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি’ পাঠ্যবইয়ে মুদ্রণজনিত ত্রুটি বিদ্যমান। এই ত্রুটির কারণে বইটি পুনরায় সংশোধন করা অপরিহার্য। যেসব মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে এনসিটিবির ওয়েব পোর্টালে অনুমোদিত চালানের মাধ্যমে জেলা, উপজেলা বা থানা শিক্ষা অফিসগুলোতে বইটি সরবরাহ করেছে, তাদের নিজ উদ্যোগে বইগুলো সংগ্রহ করে মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানে ফিরিয়ে নিতে হবে।

শিক্ষা অফিসগুলোর প্রতি নির্দেশনা

বই সংগ্রহের এই প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করার জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) সংশ্লিষ্ট জেলা, উপজেলা ও থানা শিক্ষা অফিসগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদানের ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছে। এর ফলে বই প্রত্যাহারের কাজটি দ্রুত ও সুচারুভাবে সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

News details square ads

প্রতীক বাদ ও নতুন কাঠামো

এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, সংশোধিত সংস্করণে বই থেকে বিতর্কিত দাঁড়িপাল্লার প্রতীকটি সম্পূর্ণভাবে বাদ দেওয়া হবে। এমনকি জ্ঞানের পিরামিডের চারটি স্তরের নাম থাকলেও কোনো প্রতীক বা আইকন ব্যবহার করা হবে না।

এ বিষয়ে এনসিটিবির সদস্য এ কে এম শওকত আলী খান জানান, “উপাত্ত, তথ্য, জ্ঞান ও প্রজ্ঞা—এই চারটি স্তরের নাম বইয়ে থাকবে, তবে এখানে কোনো আইকন থাকবে না। আগামী বছর এভাবেই যাবে। পরের বছর বিষয়গুলো পুনরায় আরও পরিমার্জন করব, যাতে কোনো ভুল তথ্য না যায়।”

এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে এনসিটিবি পাঠ্যপুস্তকের মান ও নির্ভুলতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর বলে মনে করা হচ্ছে।

Advertisement[ বিজ্ঞাপন — ৯৭০×৯০ ]