শিক্ষাপথ
Advertisement[ বিজ্ঞাপন — ৯৭০×৯০ ]

পাঠ্যক্রমেই খেলাধুলার চর্চা, স্কুল-কলেজে যুক্ত হচ্ছে পাঁচ ডিসিপ্লিন

শিক্ষাপথ ডেস্ক
২ ঘণ্টা আগে
পাঠ্যক্রমেই খেলাধুলার চর্চা, স্কুল-কলেজে যুক্ত হচ্ছে পাঁচ ডিসিপ্লিন
পাঠ্যক্রমেই খেলাধুলার চর্চা, স্কুল-কলেজে যুক্ত হচ্ছে পাঁচ ডিসিপ্লিন
Advertisement[ বিজ্ঞাপন — ৯৭০×৬০ ]

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় খেলাধুলাকে আরও গুরুত্ব দিতে স্কুল ও কলেজ পর্যায়ের পাঠ্যক্রমে পাঁচটি ক্রীড়া অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রযুক্তিনির্ভর জীবনযাপনের নেতিবাচক প্রভাব কমাতেও এই পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

শনিবার অনুষ্ঠিতব্য ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতি গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ হলো শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য। তিনি উল্লেখ করেন, দক্ষ, আত্মবিশ্বাসী ও মানবিক নাগরিক গড়ে তুলতে পাঠ্যবইভিত্তিক শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের বিকাশ সমানভাবে প্রয়োজন।

প্রধানমন্ত্রী জানান, শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের অংশ হিসেবে চতুর্থ শ্রেণি থেকে উচ্চমাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে ফুটবল, ক্রিকেট, দাবা, কারাতে এবং সাঁতার পাঠ্যক্রমে যুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। শুধু তাত্ত্বিক শিক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে ব্যবহারিক ক্লাস ও মূল্যায়নের মাধ্যমেও শিক্ষার্থীদের ক্রীড়া কার্যক্রমে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে।

News details square ads

তিনি বলেন, এ ধরনের কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের সুস্থ বিকাশে সহায়ক হওয়ার পাশাপাশি মাদকাসক্তি ও মোবাইল ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহারের মতো সামাজিক সমস্যার মোকাবিলায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, ইতোমধ্যে ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬’-এর জন্য নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। এর আওতায় দেশের ৬৫ হাজার ৫৬৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ৯৯ লাখ ৪৮ হাজার ৯৫৬ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণের সুযোগ পাচ্ছে। এর মধ্যে বালকের সংখ্যা ৪৬ লাখ ৯১ হাজার ৯৯৬ এবং বালিকার সংখ্যা ৫২ লাখ ৫৬ হাজার ৯৬০ জন।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিকাশ নিশ্চিত করতে খেলাধুলাভিত্তিক কার্যক্রমকে শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে একটি সুস্থ ও সক্রিয় প্রজন্ম গড়ে তোলাই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।

Advertisement[ বিজ্ঞাপন — ৯৭০×৯০ ]