শিক্ষাপথ
Advertisement[ বিজ্ঞাপন — ৯৭০×৯০ ]

ফল ও মেধাতালিকা জালিয়াতিতে কঠোর শাস্তি, ডিজিটাল কারসাজিতে সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড

শিক্ষাপথ ডেস্ক
৪ ঘণ্টা আগে
ফল ও মেধাতালিকা জালিয়াতিতে কঠোর শাস্তি, ডিজিটাল কারসাজিতে সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড
ফল ও মেধাতালিকা জালিয়াতিতে কঠোর শাস্তি, ডিজিটাল কারসাজিতে সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড
Advertisement[ বিজ্ঞাপন — ৯৭০×৬০ ]

পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল বা মেধাতালিকায় হ্যাকিং, অবৈধ হস্তক্ষেপ কিংবা ডিজিটাল মাধ্যমে কারসাজির ঘটনায় সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রেখে আইনের সংশোধনীতে চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। নতুন বিধানে এ ধরনের অপরাধকে ‘ডিজিটাল ম্যানিপুলেশন’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার দশম বৈঠকে ‘দ্য পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০২৬’-এর খসড়ার অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, ১৯৮০ সালে প্রণীত বিদ্যমান আইনটি মূলত নকল, প্রশ্নফাঁস, জাল সনদ তৈরি ও অন্যান্য অনিয়ম প্রতিরোধের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছিল। তবে প্রযুক্তির বিস্তার এবং ডিজিটাল মাধ্যমে নতুন ধরনের অপরাধ বাড়তে থাকায় বর্তমান আইন সময়োপযোগী থাকছে না। এ কারণে পাবলিক পরীক্ষাগুলোকে আরও সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ রাখতে এবং অনলাইনভিত্তিক অপরাধগুলোকে আইনের আওতায় আনতেই সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

News details square ads

নতুন খসড়ায় ফলাফল বা মেধাতালিকায় হ্যাকিং কিংবা অবৈধভাবে তথ্য পরিবর্তনের ঘটনাকে পৃথক অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ ধরনের ‘ডিজিটাল ম্যানিপুলেশন’-এর জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের পাশাপাশি অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

এ ছাড়া সংঘবদ্ধভাবে পরীক্ষায় জালিয়াতি, চক্র গঠন বা সমন্বিত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রেও কঠোর শাস্তির বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সরকারের আশা, সংশোধিত আইন কার্যকর হলে প্রযুক্তিনির্ভর প্রতারণা ও পরীক্ষাসংক্রান্ত অপরাধ দমনে আরও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।

Advertisement[ বিজ্ঞাপন — ৯৭০×৯০ ]