ফল ও মেধাতালিকা জালিয়াতিতে কঠোর শাস্তি, ডিজিটাল কারসাজিতে সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড

পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল বা মেধাতালিকায় হ্যাকিং, অবৈধ হস্তক্ষেপ কিংবা ডিজিটাল মাধ্যমে কারসাজির ঘটনায় সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রেখে আইনের সংশোধনীতে চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। নতুন বিধানে এ ধরনের অপরাধকে ‘ডিজিটাল ম্যানিপুলেশন’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার দশম বৈঠকে ‘দ্য পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০২৬’-এর খসড়ার অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, ১৯৮০ সালে প্রণীত বিদ্যমান আইনটি মূলত নকল, প্রশ্নফাঁস, জাল সনদ তৈরি ও অন্যান্য অনিয়ম প্রতিরোধের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছিল। তবে প্রযুক্তির বিস্তার এবং ডিজিটাল মাধ্যমে নতুন ধরনের অপরাধ বাড়তে থাকায় বর্তমান আইন সময়োপযোগী থাকছে না। এ কারণে পাবলিক পরীক্ষাগুলোকে আরও সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ রাখতে এবং অনলাইনভিত্তিক অপরাধগুলোকে আইনের আওতায় আনতেই সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নতুন খসড়ায় ফলাফল বা মেধাতালিকায় হ্যাকিং কিংবা অবৈধভাবে তথ্য পরিবর্তনের ঘটনাকে পৃথক অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ ধরনের ‘ডিজিটাল ম্যানিপুলেশন’-এর জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের পাশাপাশি অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।
এ ছাড়া সংঘবদ্ধভাবে পরীক্ষায় জালিয়াতি, চক্র গঠন বা সমন্বিত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রেও কঠোর শাস্তির বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সরকারের আশা, সংশোধিত আইন কার্যকর হলে প্রযুক্তিনির্ভর প্রতারণা ও পরীক্ষাসংক্রান্ত অপরাধ দমনে আরও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।
শিক্ষাঙ্গন এর আরও খবর
এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে দেশজুড়ে পরীক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
এইচএসসির প্রথম দিনেই কুমিল্লা বোর্ডে প্রায় ১ হাজার ৮০০ পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত
নিজ প্রতিষ্ঠানে সন্তান ভর্তি না করায় শিক্ষকদের প্রতি শিক্ষামন্ত্রীর প্রশ্ন, সভায় বিব্রতকর পরিস্থিতি
খাতা পুনর্মূল্যায়নে আসছে বড় পরিবর্তন, নম্বর যোগের ভুলের বাইরে দেখা হবে মূল্যায়নের মানও
এইচএসসি পরীক্ষায় নকল ঠেকাতে কঠোর বার্তা: দায় এড়াতে পারবেন না কেন্দ্র ও প্রতিষ্ঠান প্রধানও
ভুল চাহিদায় সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের দ্রুত পুনঃসুপারিশের দাবি
