শিক্ষাপথ
Advertisement[ বিজ্ঞাপন — ৯৭০×৯০ ]

ভুল চাহিদায় সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের দ্রুত পুনঃসুপারিশের দাবি

শিক্ষাপথ ডেস্ক
৩ ঘণ্টা আগে
ভুল চাহিদায় সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের দ্রুত পুনঃসুপারিশের দাবি
ভুল চাহিদায় সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের দ্রুত পুনঃসুপারিশের দাবি
Advertisement[ বিজ্ঞাপন — ৯৭০×৬০ ]

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) ৬ষ্ঠ ও ৭ম গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সুপারিশপ্রাপ্ত একদল শিক্ষক দ্রুত পুনঃসুপারিশের দাবি জানিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, যে পদে তাদের নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে, পরবর্তীতে দেখা গেছে সেসব প্রতিষ্ঠানের অনেক পদে প্রকৃতপক্ষে কোনো শূন্যপদ ছিল না অথবা সংশ্লিষ্ট পদ আগে থেকেই বিলুপ্ত কিংবা সমন্বয় করা হয়েছিল। ফলে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেও তারা এমপিওভুক্তি ও বেতন-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক আবেদনে ক্ষতিগ্রস্ত প্রার্থীরা এ দাবি জানান। আবেদনে তারা উল্লেখ করেন, সুপারিশপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানে যোগদানের পর তারা জানতে পারেন যে নিয়োগের ভিত্তি হিসেবে ব্যবহৃত কিছু চাহিদা তথ্য বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। এর ফলে তাদের চাকরির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়ে এবং এমপিও প্রক্রিয়াও জটিলতায় আটকে যায়।

প্রার্থীরা জানান, বিষয়টি উদ্ঘাটিত হওয়ার পর এনটিআরসিএ তাদের পুনঃসুপারিশের জন্য আবেদন করতে নির্দেশ দেয়। পরবর্তীতে আবেদন যাচাই-বাছাই করে একটি তালিকা প্রস্তুত করা হলেও প্রযুক্তিগত কারণে তা বাস্তবায়নে অগ্রগতি হয়নি। সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমান নিয়োগ কার্যক্রম ভিন্ন প্ল্যাটফর্মে পরিচালিত হওয়ায় পূর্ববর্তী গণবিজ্ঞপ্তিতে ভুল চাহিদার ভিত্তিতে সুপারিশপ্রাপ্তদের একই প্রক্রিয়ায় পুনঃসুপারিশ করা সম্ভব হচ্ছে না।

News details square ads

আবেদনে আরও বলা হয়, ভবিষ্যতে শূন্যপদ সংগ্রহের মাধ্যমে পুনঃসুপারিশের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানানো হলেও দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি। এ নিয়ে তারা এনটিআরসিএর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কাছেও একাধিকবার স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর সমাধান না পাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষকরা চরম হতাশা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন।

সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের দাবি, চাকরিতে যোগদানের জন্য অনেকেই বাসস্থান পরিবর্তন, যাতায়াত ব্যয় এবং অন্যান্য আর্থিক দায়ভার বহন করেছেন। কিন্তু প্রশাসনিক ত্রুটির কারণে তারা বর্তমানে সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংকটের মুখোমুখি। তাদের মতে, এ পরিস্থিতির জন্য প্রার্থীরা কোনোভাবেই দায়ী নন; তাই মানবিক ও ন্যায়সঙ্গত দৃষ্টিকোণ থেকে দ্রুত পুনঃসুপারিশ কার্যক্রম সম্পন্ন করা প্রয়োজন।

এ অবস্থায় ভুল চাহিদার ভিত্তিতে সুপারিশপ্রাপ্ত সব শিক্ষকের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত পুনঃসুপারিশের ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তাদের দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তার অবসানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা।

Advertisement[ বিজ্ঞাপন — ৯৭০×৯০ ]