শিক্ষাপথ
Advertisement[ বিজ্ঞাপন — ৯৭০×৯০ ]

দেশ পুনর্গঠনে নারীদের শিক্ষা ও অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা অপরিহার্য: প্রধানমন্ত্রী

শিক্ষাপথ ডেস্ক
১৮ দিন আগে
দেশ পুনর্গঠনে নারীদের শিক্ষা ও অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা অপরিহার্য: প্রধানমন্ত্রী
দেশ পুনর্গঠনে নারীদের শিক্ষা ও অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা অপরিহার্য: প্রধানমন্ত্রী
Advertisement[ বিজ্ঞাপন — ৯৭০×৬০ ]

দেশকে প্রকৃত সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে হলে নারীদের শিক্ষা ও অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলা সবচেয়ে জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, শুধু স্বাধীনতা অর্জনই যথেষ্ট নয়, পরবর্তী লক্ষ্য হতে হবে একটি সুসংগঠিত ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র বিনির্মাণ করা।

শনিবার (১৬ মে) কুমিল্লার বরুড়ার লক্ষ্মীপুর বাজার মাঠে আয়োজিত বিএনপির এক বিশাল পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশের ডাক

News details square ads

বিগত দিনের রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "এই দেশ ও দেশের মানুষ দীর্ঘ সময় এক ভয়াবহ স্বৈরাচারের কবলে পড়েছিল। যেভাবে ১৯৭১ সালে হানাদার বাহিনীর হাত থেকে বাংলার মানুষ স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিল, ঠিক সেভাবেই রাজপথের লড়াইয়ের মাধ্যমে এ দেশকে স্বৈরাচারের কবল থেকে মুক্ত করা হয়েছে।"

অর্থনৈতিক মুক্তি ও কর্মসংস্থান

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে দেশ পুনর্গঠনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, এখন সময় এসেছে সামনের দিকে তাকানোর। সাধারণ মানুষের ব্যবসা-বাণিজ্য এবং চাকরি-বাকরির নিশ্চয়তা দেওয়া বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। বিশেষ করে বেকার সমস্যার স্থায়ী সমাধান ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নের মাধ্যমে একটি স্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

নারীর ক্ষমতায়ন

নারীদের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "আমাদের মা-বোনদের পিছিয়ে রেখে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাদের যথাযথ সুশিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে এবং অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।"

দেশ পুনর্গঠনের অঙ্গীকার

পথসভায় উপস্থিত জনতার উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, "প্রিয় ভাই-বোনেরা, আমাদের দেশ এখন পুনর্গঠনের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। এখন সময় এসেছে একযোগে কাজ করার। ব্যবসা-বাণিজ্য সচল করা, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই হবে আমাদের মূল কাজ।"

স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত এই পথসভায় দলের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশকে কেন্দ্র করে লক্ষ্মীপুর বাজার ও আশপাশের এলাকায় সাধারণ মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।

Advertisement[ বিজ্ঞাপন — ৯৭০×৯০ ]