শিক্ষাপথ
Advertisement[ বিজ্ঞাপন — ৯৭০×৯০ ]

গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা জোরদার, এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা—তারেক রহমানের বক্তব্যে নতুন দিকনির্দেশনা

শিক্ষাপথ ডেস্ক
১ মাস আগে
গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা জোরদার, এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা—তারেক রহমানের বক্তব্যে নতুন দিকনির্দেশনা
গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা জোরদার, এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা—তারেক রহমানের বক্তব্যে নতুন দিকনির্দেশনা
Advertisement[ বিজ্ঞাপন — ৯৭০×৬০ ]

গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা জোরদার, এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা—তারেক রহমানের বক্তব্যে নতুন দিকনির্দেশনা

নিজস্ব প্রতিবেদক | স্বাস্থ্য ও উন্নয়ন

শহর ও গ্রামের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবার বৈষম্য এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, শহরের মানুষ কিছুটা চিকিৎসাসেবা পেলেও গ্রামীণ জনগোষ্ঠী এখনো পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যসেবার বাইরে রয়ে গেছে।

News details square ads

একটি সুধী সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, “গ্রামের মানুষের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। মানুষকে সচেতন করা গেলে অনেক রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে, এতে অসুস্থতার হারও কমে আসবে।”

তিনি আরও জানান, দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরও বিস্তৃত ও জনবান্ধব করতে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যার প্রায় ৮০ শতাংশই নারী হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

তারেক রহমানের মতে, এই স্বাস্থ্যকর্মীরা গ্রাম ও শহরের বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা তৈরি করবেন। বিশেষ করে খাদ্যাভ্যাস, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ প্রতিরোধ, ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি (হাইজিন) বিষয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, “সঠিক সচেতনতার মাধ্যমে রোগের ঝুঁকি কমানো সম্ভব। ফলে চিকিৎসার ওপর চাপও কমে আসবে এবং প্রকৃত রোগীরা উন্নত সেবা পাবেন।”

এ সময় তিনি কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়নের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন। তিনি জানান, আইটি খাত ও ভোকেশনাল প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলো আধুনিকায়নের মাধ্যমে শিক্ষিত ও অর্ধশিক্ষিত তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

নতুন সরকারের কর্মকাণ্ড প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকার নতুন যাত্রার শুরুতে রয়েছে এবং ইতোমধ্যে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে।

সিলেট সফর প্রসঙ্গেও বক্তব্য দেন তিনি। তিনি বলেন, সরকার আড়াই মাস বয়সী শিশুর সঙ্গে বর্তমান প্রশাসনের যাত্রাকে তুলনা করে জানান, এটি প্রাথমিক পর্যায় হলেও লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ শুরু হয়েছে।

এর আগে তিনি সিলেটের ক্বিন ব্রিজ এলাকায় একটি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনে অংশ নেন, যা সুরমা নদী ও আশপাশের এলাকায় বন্যা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবে বলে জানানো হয়। সফরকালে তিনি হযরত শাহজালাল (র.)-এর মাজার জিয়ারতও করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন মন্ত্রী, স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং সুধীজন।

Advertisement[ বিজ্ঞাপন — ৯৭০×৯০ ]