শিক্ষাপথ
Advertisement[ বিজ্ঞাপন — ৯৭০×৯০ ]

পরীক্ষায় বসলেই কি ফেল? পাসের হার মাত্র ২১%, চরম উদ্বেগে সাড়ে ১২ হাজার চিকিৎসকের ভাগ্য নির্ধারণ শুরু!

শিক্ষাপথ ডেস্ক
১ দিন আগে
পরীক্ষায় বসলেই কি ফেল? পাসের হার মাত্র ২১%, চরম উদ্বেগে সাড়ে ১২ হাজার চিকিৎসকের ভাগ্য নির্ধারণ শুরু!
পরীক্ষায় বসলেই কি ফেল? পাসের হার মাত্র ২১%, চরম উদ্বেগে সাড়ে ১২ হাজার চিকিৎসকের ভাগ্য নির্ধারণ শুরু!
Advertisement[ বিজ্ঞাপন — ৯৭০×৬০ ]

দেশের চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার সবচেয়ে কঠিন ও মর্যাদাপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবে পরিচিত 'এফসিপিএস পার্ট-১' (জুলাই-২০২৬ সেশন) শুরু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া এই পরীক্ষা চলবে আগামী বৃহস্পতিবার (৪ জুন) পর্যন্ত। তবে পরীক্ষার হলগুলোতে এবার অন্যরকম এক আতঙ্ক বিরাজ করছে। সাড়ে ১২ হাজারেরও বেশি চিকিৎসকের ভবিষ্যৎ এখন ঝুলছে মাত্র কয়েক ঘণ্টার এই কঠিন মূল্যায়নের ওপর।

পরিসংখ্যান বলছে, এই পরীক্ষায় পাসের হার অত্যন্ত নিমরূণ। বিগত সেশনের এক ভয়ংকর তথ্য পরীক্ষার্থীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

৫ জনের ৪ জনই ফেল! বিগত সেশনের ভয়ংকর পরিসংখ্যান

News details square ads

চলতি বছরের গত ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হওয়া এফসিপিএস পার্ট-১ পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন ১০ হাজার ৮৫০ জন চিকিৎসক। অত্যন্ত কঠোর ও জটিল মূল্যায়ন পদ্ধতির কারণে তাদের মধ্যে মাত্র ২ হাজার ৩০৮ জন পাস করতে পেরেছিলেন। অর্থাৎ, পাসের হার ছিল মাত্র ২১.২৭ শতাংশ!

বাকি প্রায় ৭৯ শতাংশ বা প্রায় সাড়ে ৮ হাজার চিকিৎসকই অকৃতকার্য হয়ে ছিটকে পড়েছিলেন। এই নির্মম বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে এবারও চরম মানসিক চাপে ও আতঙ্কে পরীক্ষা দিতে হচ্ছে পরীক্ষার্থীদের। অনেকেই আশঙ্কা করছেন, এবারও কি সিংহভাগ পরীক্ষার্থীর ভাগ্যেই জুটবে অকৃতকার্যের গ্লানি?

এবার আরও বড় পরীক্ষার মুখে ১২ হাজার ৪৮০ চিকিৎসক

বিগত সেশনের চেয়ে এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা আরও বেড়েছে। গত ২৯ এপ্রিল চূড়ান্ত হওয়া তালিকা অনুযায়ী, এবারের সেশনে সর্বমোট ১২ হাজার ৪৮০ জন চিকিৎসক পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন।

সবচেয়ে কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে যাচ্ছে প্রধান তিনটি বিভাগে

মেডিসিন অ্যান্ড অ্যালাইড: ৪,৩১২ জন (সবচেয়ে বেশি প্রতিযোগী ও সর্বোচ্চ চাপের বিভাগ)

সার্জারি অ্যান্ড অ্যালাইড: ২,৩৪২ জন

গাইনি অ্যান্ড অ্যালাইড: ২,১৩৫ জন

এছাড়া অন্যান্য বিশেষায়িত বিষয় মিলিয়ে হাজারো চিকিৎসক এই অগ্নিপরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন।

প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত চলা এই ৪ ঘণ্টার প্রতিটি মিনিট যেন এক একটি দুঃস্বপ্নের মতো কাটছে পরীক্ষার্থীদের। প্রথম দিনেই অনুষ্ঠিত হয়েছে সবচেয়ে বড় বিভাগ 'মেডিসিন ও অ্যালাইড'-এর পরীক্ষা। শেষ পর্যন্ত এই সাড়ে ১২ হাজার চিকিৎসকের মধ্যে কতজন সাফল্যের হাসি হাসতে পারবেন আর কতজনকে আবারো ব্যর্থতার তিক্ত স্বাদ পেতে হবে—তা নিয়ে এখন পুরো চিকিৎসা অঙ্গনেই চলছে তীব্র উত্তেজনা ও উদ্বেগ।

Advertisement[ বিজ্ঞাপন — ৯৭০×৯০ ]