শিক্ষাপথ
Advertisement[ বিজ্ঞাপন — ৯৭০×৯০ ]

সেশনজট নির্মূলে বদ্ধপরিকর সরকার: ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে শিক্ষাবর্ষ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা

শিক্ষাপথ ডেস্ক
২১ দিন আগে
সেশনজট নির্মূলে বদ্ধপরিকর সরকার: ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে শিক্ষাবর্ষ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা
সেশনজট নির্মূলে বদ্ধপরিকর সরকার: ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে শিক্ষাবর্ষ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা
Advertisement[ বিজ্ঞাপন — ৯৭০×৬০ ]

দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় দীর্ঘদিনের বিষফোঁড়া 'সেশনজট' চিরতরে নির্মূল করার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ভর্তি প্রক্রিয়াকে এমনভাবে ঢেলে সাজানো হচ্ছে যাতে শিক্ষার্থীরা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই তাদের শিক্ষাজীবন শেষ করতে পারে।

বুধবার (১৩ মে) বিকেলে গাজীপুরে অবস্থিত ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি (আইইউটি)-এর 'এক্সেলেন্স অ্যাওয়ার্ড' অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

একাডেমিক ক্যালেন্ডার ও নতুন লক্ষ্যমাত্রা শিক্ষামন্ত্রী বলেন, "আমাদের প্রধান লক্ষ্য হলো প্রতি বছরের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সমস্ত একাডেমিক ক্যালেন্ডার সম্পন্ন করা। বিগত বছরগুলোতে শিক্ষা খাতে যে অব্যবস্থা তৈরি হয়েছে, সেগুলো সমাধান করা আমাদের অগ্রাধিকার। সেশনজট যেন কোনোভাবেই শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করতে না পারে, সেভাবেই আমরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি ও পরীক্ষা পদ্ধতি চালু করব।"

News details square ads

শিক্ষার্থীদের জীবন থেকে হারিয়ে যাওয়া সময় শিক্ষাব্যবস্থার বর্তমান সংকট তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, "স্বাভাবিক নিয়মে একজন শিক্ষার্থীর ১৬ বছরে এসএসসি এবং ১৮ বছরে এইচএসসি শেষ করার কথা। কিন্তু বর্তমানে দেখা যাচ্ছে, শিক্ষার্থীরা ১৭ বছরে এসএসসি এবং ২০ বছরে এইচএসসি শেষ করছে। এতে করে দেশের প্রায় ৪০ লক্ষ শিক্ষার্থীর জীবন থেকে গড়ে এক থেকে দুই বছর হারিয়ে যাচ্ছে। আমাদের কারিকুলাম এবং ব্যবস্থাপনা এমনভাবে সমন্বয় করা হচ্ছে যাতে এই অতিরিক্ত সময়গুলো আর নষ্ট না হয়।"

উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন ও আইইউটির সাফল্য আইইউটির মানসম্মত গ্র্যাজুয়েট তৈরির প্রশংসা করে ড. মিলন বলেন, প্রতিষ্ঠানটি ধারাবাহিকভাবে বিশ্বমানের প্রকৌশলী ও গবেষক তৈরি করে আসছে। দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় এই ধরনের উৎকর্ষতা আনাই বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, উচ্চশিক্ষার মান রক্ষায় সরকার সকল ধরণের নীতিগত সহায়তা প্রদান করবে।

আইইউটির উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক এবং শিক্ষার্থীদের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ 'এক্সেলেন্স অ্যাওয়ার্ড' ও সম্মাননা প্রদান করা হয়।

প্রতিষ্ঠানটির একাডেমিক উৎকর্ষতা এবং গবেষণায় সাফল্যের ভূয়সী প্রশংসা করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

Advertisement[ বিজ্ঞাপন — ৯৭০×৯০ ]