শিক্ষাপথ
Advertisement[ বিজ্ঞাপন — ৯৭০×৯০ ]

শিক্ষা খাতের আধুনিকায়ন ও পাঠ্যক্রম উন্নয়নে একযোগে কাজ করবে বাংলাদেশ ও মিশর

শিক্ষাপথ ডেস্ক
১৫ দিন আগে
শিক্ষা খাতের আধুনিকায়ন ও পাঠ্যক্রম উন্নয়নে একযোগে কাজ করবে বাংলাদেশ ও মিশর
শিক্ষা খাতের আধুনিকায়ন ও পাঠ্যক্রম উন্নয়নে একযোগে কাজ করবে বাংলাদেশ ও মিশর
Advertisement[ বিজ্ঞাপন — ৯৭০×৬০ ]

শিক্ষা খাতের সামগ্রিক উন্নয়ন, আধুনিক পাঠ্যক্রম প্রণয়ন এবং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার করার লক্ষ্যে একযোগে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ও মিশর। দুই দেশের শিক্ষার্থীদের যুগোপযোগী দক্ষতা উন্নয়ন এবং মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ব্যাপারে ঐকমত্যে পৌঁছেছেন উভয় দেশের নীতিনির্ধারকরা।

যুক্তরাজ্যের লন্ডনে চলমান মর্যাদাপূর্ণ বৈশ্বিক শিক্ষাবিষয়ক সম্মেলন ‘এডুকেশন ওয়ার্ল্ড ফোরাম ২০২৬’ (Education World Forum 2026)-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্শ্ব বৈঠকে (Side Meeting) এই দ্বিপাক্ষিক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। মিশরের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন দেশটির শিক্ষামন্ত্রী মোহাম্মদ আহমেদ আবদেল লতিফ। এ সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। পরে শিক্ষামন্ত্রীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে এই ফলপ্রসূ বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

News details square ads

বহুমাত্রিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত

দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে দুই দেশের শিক্ষামন্ত্রী বৃহৎ পরিসরে মানসম্মত শিক্ষাদান পদ্ধতি নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন। বিশেষ করে বর্তমান যুগের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পাঠ্যক্রম (Curriculum) উন্নয়ন এবং আধুনিকীকরণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে দক্ষ শিক্ষকমণ্ডলীর গুরুত্ব বিবেচনা করে ‘শিক্ষক প্রশিক্ষণ’ (Teacher Training) কর্মসূচিতে যৌথ উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়ে দুই দেশ তাদের অভিজ্ঞতা ও মতামত বিনিময় করেন।

দক্ষতা উন্নয়নে জোর

প্রথাগত শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক ও কারিগরি দক্ষতা বৃদ্ধিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। দুই দেশের শিক্ষামন্ত্রীই একমত প্রকাশ করেছেন যে, দ্রুত পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক শ্রমবাজারের উপযোগী করে তরুণ প্রজন্মকে গড়ে তুলতে দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থার কোনো বিকল্প নেই। এই লক্ষ্যে পারস্পরিক প্রযুক্তি ও কৌশলগত জ্ঞান আদান-প্রদান করার বিষয়ে তারা একমত হন।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই বৈঠকের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও মিশরের মধ্যে শিক্ষা ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি ও জোরালো অংশীদারিত্বের এক নতুন দুয়ার উন্মোচিত হলো, যা ভবিষ্যতে বাংলাদেশের শিক্ষা সংস্কার কার্যক্রমে অত্যন্ত ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

Advertisement[ বিজ্ঞাপন — ৯৭০×৯০ ]