শিক্ষাপথ
Advertisement[ বিজ্ঞাপন — ৯৭০×৯০ ]

সেশনজটমুক্ত শিক্ষাব্যবস্থা: ১০ বছরে এসএসসি ও ১২ বছরে এইচএসসি করার পরিকল্পনা সরকারের

শিক্ষাপথ ডেস্ক
২১ দিন আগে
সেশনজটমুক্ত শিক্ষাব্যবস্থা: ১০ বছরে এসএসসি ও ১২ বছরে এইচএসসি করার পরিকল্পনা সরকারের
সেশনজটমুক্ত শিক্ষাব্যবস্থা: ১০ বছরে এসএসসি ও ১২ বছরে এইচএসসি করার পরিকল্পনা সরকারের
Advertisement[ বিজ্ঞাপন — ৯৭০×৬০ ]

সেশনজট নিরসন এবং শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন গতিশীল করতে শিক্ষাব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের কথা ভাবছে সরকার। এখন থেকে ১০ বছরের স্কুলিং শেষে মাধ্যমিক (এসএসসি) এবং ১২ বছর পূর্ণ হলে উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পর্যায় সম্পন্ন করার লক্ষ্যে বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।

বুধবার (১৩ মে) সকালে রাজধানীর ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজে আয়োজিত 'ওয়ান গ্রিড সোলার প্রজেক্ট'-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এসব তথ্য জানান।

সেশনজট নিরসন ও সময়োপযোগী সিলেবাস

News details square ads

শিক্ষামন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, "শিক্ষার্থীদের মূল্যবান সময় যাতে নষ্ট না হয়, সেদিকে সরকার বিশেষ নজর দিচ্ছে। আমরা চাই একজন শিক্ষার্থী যেন কোনো প্রকার সেশনজট ছাড়াই নির্দিষ্ট সময়ে এসএসসি ও এইচএসসি সম্পন্ন করতে পারে। সেই লক্ষ্যেই আমরা পাঠ্যক্রম ও সিলেবাস নতুন করে সাজানোর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছি।" তিনি আরও জানান যে, সিলেবাস কাভার করে সময়মতো পরীক্ষা সম্পন্ন করার বিষয়ে আজই সংশ্লিষ্টদের নিয়ে নীতিনির্ধারণী সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

শিক্ষার মানোন্নয়ন ও নৈতিকতার ডাক

পরীক্ষা পদ্ধতির বর্তমান স্বচ্ছতা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে মন্ত্রী শিক্ষার্থীদের ভালোভাবে পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, শুধু পুঁথিগত বিদ্যা নয়, বরং শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেম, নৈতিকতা এবং ধর্মীয় ও পারিবারিক মূল্যবোধ ধারণ করতে হবে। "ভ্যালুজ ছাড়া কোনো জাতি এগিয়ে যেতে পারে না, আর পরিবার থেকেই একজন মানুষের প্রকৃত শিক্ষা শুরু হয়," বলে তিনি মন্তব্য করেন।

‘শিক্ষা’ প্রধানমন্ত্রীর তালিকার শীর্ষে

শিক্ষামন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষাকে দেশের উন্নয়নের মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করেন। তিনি বলেন, "প্রধানমন্ত্রীর প্রাধান্যের তালিকায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয়—প্রতিটি বিষয়ই হলো শিক্ষা।" প্রাকৃতিক সম্পদের চেয়ে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতেই সরকার বেশি আগ্রহী বলে তিনি জানান।

দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরের অঙ্গীকার

মন্ত্রী তার বক্তব্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উদাহরণ টেনে বলেন, "পৃথিবীর অনেক দেশে প্রচুর প্রাকৃতিক সম্পদ থাকলেও তারা উন্নত হতে পারেনি কেবল শিক্ষার অভাবে। আবার অনেক দেশ সীমিত সম্পদ নিয়ে দক্ষ মানবসম্পদের মাধ্যমে বিশ্বকে নেতৃত্ব দিচ্ছে। তাই বাংলাদেশের বিপুল জনশক্তিকে সঠিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে উৎপাদনশীল মানবসম্পদে রূপান্তর করতে হবে।"

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুল খালেকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের অধ্যক্ষ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ জাবের হোসেন, মাউশি-র মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল এবং ওমেরা রিনিউয়েবল এনার্জির সিইও মাসুদুর রহিমসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

Advertisement[ বিজ্ঞাপন — ৯৭০×৯০ ]